চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোড শেডিং-এ বিপর্যস্ত জনজীবন

184

গ্রীষ্মের শুরুতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোড শেডিং-এ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। শহর এলাকায় দিনে রাতে সব সময়ে ৪/৫ ঘন্টা লোড শেডিং হচ্ছে। আর গ্রামাঞ্চলে ঘন্টার পর ঘন্টা থাকছেনা বিদ্যুৎ। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিদ্যুৎ না থাকায় কলকারখানা ও ব্যবসা বাণিজ্যে ক্ষতি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বিদ্যুত সমস্যার কারনে পানির পাম্প চালাতে বিঘœ হচ্ছে। ফলে চরমভাবে পানির সংকটে পড়েছেন শহরের বাসিন্দারা।
গত একমাস ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে চলছে বিদ্যুতের লোড শেডিং। জেলা শহরে দিনে চার থেকে পাঁচ বার লোড শেডিং দেয়া হচ্ছে। বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা যাওয়ায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছেনা। সব থেকে বিপদে আছেন গ্রামাঞ্চলের মানুষ। দিনের অধিকাংশ সময়ই উপজেলা শহরসহ গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকছেনা বলে অভিযোগ করেছেন সেখানকার অধিবাসীরা।
জেলা শহরের হুজরাপুর এলাকার মোহা. বাবু জানান, প্রতিদিন ঘন ঘন লোড শেডিং-এ চলমান এইচএসসি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া তীব্র গরমে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। ক্লাব সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম জানান, সারাদিনে ৪/৫ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছেনা। বিদ্যুতের লোড শেডিং-এর কারণে ব্যবসা বাণিজ্য লাটে উঠেছে। গরমে ক্রেতারা মার্কেটে না আসায় সারাদিনে বেচা কেনার পরিমান কমে গেছে।
বিষয়টি নিয়ে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোড শেডিংয়ের কথা স্বীকার করে জানান, সোমবার জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ৩২ মেগাওয়াট হলে দেয়া হয়েছে মাত্র ১৪ মেগাওয়াট। তাই বাধ্য হয়েই লোড শেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে নর্থ ওয়েষ্ট পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল করীম জানান, সিরাজগঞ্জে ঝড়ে একটি টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।